জাহাজ চালু না হওয়ায় সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী ভ্রমণ বিলম্বিত, কক্সবাজার থেকে
কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে যাত্রা করতে নির্ধারিত পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল অনুমোদন না পায়, ফলে বৃহস্পতিবারের যাত্রা বাতিল হয়ে যায়।

বিলম্বের কারণ
কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতি না পেলে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজগুলোর চলাচল থেমে যায়। বুধবার পুরো দিন অনুমোদনের জন্য প্রচেষ্টা চালানো হলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুমোদন পাওয়া যায়নি, ফলে বৃহস্পতিবার নির্ধারিত তিনটি জাহাজের যাত্রা বাতিল হয়।
অনুমোদিত জাহাজ ও ক্ষমতা
নৌপরিবহন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের স্বীকৃতি পেয়েছে তিনটি জাহাজ: এমভি বার আউলিয়া (ধারণ ক্ষমতা ৮৫০ জন), এমভি কর্ণফুলি (৭৩২ জন) এবং এমভি টেকনাফ (৭১৬ জন)। এই তিনটি জাহাজের মোট ক্ষমতা ২২,৯৮ জন, যা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের দ্বীপে যাতায়াত ও রাত্রিযাপনের অনুমতি দেয়।
পরিবেশ ফি ও ভ্রমণ নিয়ম
প্রত্যেক পর্যটককে দ্বীপে প্রবেশের সময় ১০০ টাকার পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। এছাড়া রাতের সময় সমুদ্রসৈকতে আলো, উচ্চ শব্দ, বারবিকিউ ইত্যাদি নিষিদ্ধ, এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও বিক্রয়ও অনুমোদিত নয়। মোট ৩,০০০ পর্যটক দৈনিক সীমা নির্ধারিত, এবং ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও সময়সূচি
সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের একটি সমন্বয় সভা হবে, তবে তারিখ এখনো প্রকাশিত হয়নি। জাহাজের মালিকদের সংগঠন (স্কোয়াব) আশা প্রকাশ করেছে যে যদি বৃহস্পতিবার অনুমোদন পাওয়া যায়, তবে শুক্রবার থেকে যাত্রা শুরু হবে। বিক্রি করা টিকিটের যাত্রীরা অনুমোদন পাওয়া মাত্রই যাত্রা করতে পারবেন।
Sources: The Business Standard, The Financial Express, The Bangladesh Today.



